Friday, November 22, 2019
Wednesday, November 20, 2019
Tuesday, November 19, 2019
Monday, November 18, 2019
Sunday, November 17, 2019
Thursday, November 14, 2019
Monday, November 11, 2019
Sunday, November 10, 2019
Friday, November 8, 2019
Tuesday, November 5, 2019
Friday, November 1, 2019
৮০ বছরের ছেলের দেখাশোনা করতে বৃদ্ধাশ্রমে ৯৮ বছর বয়সী মা
৮০ বছরের ছেলের দেখাশোনা করতে বৃদ্ধাশ্রমে ৯৮ বছর বয়সী মা
মা আর ছেলের বন্ধনের মত সেরা বন্ধন পৃথিবীতে আর কিছুই নাই। এই গল্পটা ঠিক সেটারই প্রমাণ! অ্যাডা কেটিং, ৯৮ বছর বয়সী এক মা, নিজের ৮০ বছর বয়সী ছেলেকে দেখাশোনা করতে লিভারপুলে ছেলের বৃদ্ধাশ্রমে গেলেন এবং সবকিছুই যেন স্বাভাবিক হয়ে উঠলো!
অ্যাডা এবং তার মৃত স্বামী হ্যারির চারটি সন্তান – টম, বারবারা, মার্গি, জ্যানেট। টম একজন পেইণ্টার ছিলেন। ২০১৬ সালে যখন সে ওল্ড হোমে আসেন তখন তার অনেক সেবাযত্নের দরকার ছিলো।
ওল্ড হোমে মা ছেলে হয়ে উঠেন অবিচ্ছেদ্য। তারা একসাথে খেলাধুলা করেন এবং টিভি অনুষ্ঠান দেখেন। অ্যাডা বলেন, ‘আমি টমকে প্রতিদিন রাতে শুভ রাত্রি জানাই এবং প্রতিদিন সকালে শুভ সকাল বলি’। অ্যাডা কর্মজীবনে একজন নার্স ছিলেন, তিনি বলেন, ‘আমি যখন কোন কাজে বাইরে যাই সে আমার জন্যে অপেক্ষা করে এবং আমাকে ফিরে আসতে দেখলে কাছে এসে জড়িয়ে ধরে’।
টম এখন বেশ খুশি এবং সুস্থ, তিনি জানান, ‘এখানকার সবাই বেশ ভাল এবং আমি আমার মাকে এখানে পেয়ে বেশ খুশি। সে এখন আমার দেখাশোনা করে এবং আমার সাথেই থাকে। মাঝে মাঝেই সে আমাকে শাসন করে বলে নিজেকে সামলে নিতে!’
প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার বলেন,’ টম এবং তার মাকে পেয়ে আমরা বেশ খুশি। এটা খুবই বিরল একই ওল্ডহোমে মা আর ছেলের একসাথে থাকা। আমরা তাদের সব রকম সুযোগ সুবিধা দেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি!’
সবকিছুর শেষে অ্যাডার একটা কথাই বলবো, ‘আপনি কখনো ‘মা’ ছাড়া থামাতে পারবেন না!
আরও জানতে এখানে ক্লিক করুন ...
মা আর ছেলের বন্ধনের মত সেরা বন্ধন পৃথিবীতে আর কিছুই নাই। এই গল্পটা ঠিক সেটারই প্রমাণ! অ্যাডা কেটিং, ৯৮ বছর বয়সী এক মা, নিজের ৮০ বছর বয়সী ছেলেকে দেখাশোনা করতে লিভারপুলে ছেলের বৃদ্ধাশ্রমে গেলেন এবং সবকিছুই যেন স্বাভাবিক হয়ে উঠলো!
অ্যাডা এবং তার মৃত স্বামী হ্যারির চারটি সন্তান – টম, বারবারা, মার্গি, জ্যানেট। টম একজন পেইণ্টার ছিলেন। ২০১৬ সালে যখন সে ওল্ড হোমে আসেন তখন তার অনেক সেবাযত্নের দরকার ছিলো।
ওল্ড হোমে মা ছেলে হয়ে উঠেন অবিচ্ছেদ্য। তারা একসাথে খেলাধুলা করেন এবং টিভি অনুষ্ঠান দেখেন। অ্যাডা বলেন, ‘আমি টমকে প্রতিদিন রাতে শুভ রাত্রি জানাই এবং প্রতিদিন সকালে শুভ সকাল বলি’। অ্যাডা কর্মজীবনে একজন নার্স ছিলেন, তিনি বলেন, ‘আমি যখন কোন কাজে বাইরে যাই সে আমার জন্যে অপেক্ষা করে এবং আমাকে ফিরে আসতে দেখলে কাছে এসে জড়িয়ে ধরে’।
টম এখন বেশ খুশি এবং সুস্থ, তিনি জানান, ‘এখানকার সবাই বেশ ভাল এবং আমি আমার মাকে এখানে পেয়ে বেশ খুশি। সে এখন আমার দেখাশোনা করে এবং আমার সাথেই থাকে। মাঝে মাঝেই সে আমাকে শাসন করে বলে নিজেকে সামলে নিতে!’
প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার বলেন,’ টম এবং তার মাকে পেয়ে আমরা বেশ খুশি। এটা খুবই বিরল একই ওল্ডহোমে মা আর ছেলের একসাথে থাকা। আমরা তাদের সব রকম সুযোগ সুবিধা দেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি!’
সবকিছুর শেষে অ্যাডার একটা কথাই বলবো, ‘আপনি কখনো ‘মা’ ছাড়া থামাতে পারবেন না!
আরও জানতে এখানে ক্লিক করুন ...
শীর্ষ ৫টি কারণে ঘুমের মধ্যেই মৃত্যু হয়
যে পাঁচ কারণে ঘুমের মধ্যেই মৃত্যু হয়
কার কখন মৃত্যু হবে কেউ জানেনা। মুত্যু কখনও কাউকে বলে আসে না। অনেক সময়ই রাতের মধ্যে মৃত্যু হয়ে যায়। অনেকেই বলেন, ঘুমের মধ্যে মৃত্যু যেন শান্তির চলে যাওয়া। কিন্তু তাই কি?
ঘুমের মধ্যে ঠিক কী কী কারণে মৃত্যু হয় জানেন?
অনেক ক্ষেত্রে শরীরের মাত্রাতিরিক্ত ওজন, শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা, ঠান্ডা লেগে নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া ও অন্যান্য বেশ কিছু কারণে মানুষের নাক ডাকার সমস্যা হতে পারে। তবে স্লিপ অ্যাপনিয়ার কারণেও নাক ডাকার সমস্যা হতে পারে যা বাড়িয়ে দিতে পারে অকালমৃত্যুর ঝুঁকি।
একটি গবেষণায় উঠে এসেছে, স্লিপ ডিসঅর্ডারের এই সমস্যায় হৃদপিণ্ডের ডান এবং বাঁ দিকের ভেন্ট্রিকুলারের মারাত্মক ক্ষতি হয়। সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৩ কোটি মানুষ 'স্লিপ অ্যাপনিয়া'য় আক্রান্ত।
দেখে নেয়া যাক কী কী কারণে ঘুমের মধ্যে মৃত্যু হয়-
১. হৃগরোগে আক্রান্ত হয়ে মানুষের মৃত্যু ঘটে থাকে।
২. দম আটকে যাওয়া বেশির ভাগ সময়ই ঘুমের মধ্যে মৃত্যুর কারণ।
৩. স্ট্রোক, ঘুমের মধ্যে বাজে স্বপ্ন দেখেও মানুষের মৃত্যু হয়।
৪. ঘরে কার্বন মনোক্সাইডের প্রভাবেও অনেক সময় ঘুমের মধ্যে মৃত্যু হতে পারে।
৫. নাক ডাকার কারণেও মৃত্যু ঘটে। অবজ্ঞা না করে এই ধরনের কোনও সমস্যা থাকলে আগেভাগেই চিকিৎসা করান।
আরও জানতে এখানে ক্লিক করুন
কার কখন মৃত্যু হবে কেউ জানেনা। মুত্যু কখনও কাউকে বলে আসে না। অনেক সময়ই রাতের মধ্যে মৃত্যু হয়ে যায়। অনেকেই বলেন, ঘুমের মধ্যে মৃত্যু যেন শান্তির চলে যাওয়া। কিন্তু তাই কি?
ঘুমের মধ্যে ঠিক কী কী কারণে মৃত্যু হয় জানেন?
অনেক ক্ষেত্রে শরীরের মাত্রাতিরিক্ত ওজন, শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা, ঠান্ডা লেগে নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া ও অন্যান্য বেশ কিছু কারণে মানুষের নাক ডাকার সমস্যা হতে পারে। তবে স্লিপ অ্যাপনিয়ার কারণেও নাক ডাকার সমস্যা হতে পারে যা বাড়িয়ে দিতে পারে অকালমৃত্যুর ঝুঁকি।
একটি গবেষণায় উঠে এসেছে, স্লিপ ডিসঅর্ডারের এই সমস্যায় হৃদপিণ্ডের ডান এবং বাঁ দিকের ভেন্ট্রিকুলারের মারাত্মক ক্ষতি হয়। সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৩ কোটি মানুষ 'স্লিপ অ্যাপনিয়া'য় আক্রান্ত।
দেখে নেয়া যাক কী কী কারণে ঘুমের মধ্যে মৃত্যু হয়-
১. হৃগরোগে আক্রান্ত হয়ে মানুষের মৃত্যু ঘটে থাকে।
২. দম আটকে যাওয়া বেশির ভাগ সময়ই ঘুমের মধ্যে মৃত্যুর কারণ।
৩. স্ট্রোক, ঘুমের মধ্যে বাজে স্বপ্ন দেখেও মানুষের মৃত্যু হয়।
৪. ঘরে কার্বন মনোক্সাইডের প্রভাবেও অনেক সময় ঘুমের মধ্যে মৃত্যু হতে পারে।
৫. নাক ডাকার কারণেও মৃত্যু ঘটে। অবজ্ঞা না করে এই ধরনের কোনও সমস্যা থাকলে আগেভাগেই চিকিৎসা করান।
আরও জানতে এখানে ক্লিক করুন
Subscribe to:
Posts (Atom)






